বিদ্যালয়ের ইতিহাস
পাথালিয়া কলিম উদ্দিন আব্বাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস
বাগুনডালী, কালিহাতী, টাঙ্গাইলের শিক্ষা উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় পাথালিয়া কলিম উদ্দিন আব্বাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মীর মোবারক আলী এবং দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী মন্ডল। এলাকার সাধারণ মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠে।
প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল—গ্রামীণ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের জন্য মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জ্ঞানের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া। শুরুতে বিদ্যালয়টি ছিল স্বল্প কক্ষ, অল্পসংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে। কিন্তু শিক্ষার প্রতি স্থানীয় জনগণের আগ্রহ ও প্রতিষ্ঠাতাদের নিরলস প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়।
বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় স্থানীয় প্রতিষ্ঠাতা এবং দাতা পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। সময়ের সাথে বিদ্যালয়ে যুক্ত হয়েছে সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং ক্রীড়া মাঠ। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও খেলাধুলায়ও বিদ্যালয়টি সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে শত শত শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
এভাবে পাথালিয়া কলিম উদ্দিন আব্বাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এ অঞ্চলের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক উন্নয়নের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
বাগুনডালী, কালিহাতী, টাঙ্গাইলের শিক্ষা উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় পাথালিয়া কলিম উদ্দিন আব্বাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মীর মোবারক আলী এবং দানবীর আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী মন্ডল। এলাকার সাধারণ মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠে।
প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল—গ্রামীণ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের জন্য মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জ্ঞানের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া। শুরুতে বিদ্যালয়টি ছিল স্বল্প কক্ষ, অল্পসংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে। কিন্তু শিক্ষার প্রতি স্থানীয় জনগণের আগ্রহ ও প্রতিষ্ঠাতাদের নিরলস প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়।
বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় স্থানীয় প্রতিষ্ঠাতা এবং দাতা পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। সময়ের সাথে বিদ্যালয়ে যুক্ত হয়েছে সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং ক্রীড়া মাঠ। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও খেলাধুলায়ও বিদ্যালয়টি সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে শত শত শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
এভাবে পাথালিয়া কলিম উদ্দিন আব্বাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এ অঞ্চলের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক উন্নয়নের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।